আঃ
সৌরভ ভট্টাচার্য
5 February 2017
ছেলেটার নাম ধরি, প্রত্যহ। সে ভালোবাসল, ধরি প্রাত্যহিকীকে। ধীরে ধীরে হৃদয়ের সব দিক দিল খুলে। প্রথমে খুলল, পূব পশ্চিম উত্তর দক্ষিণ। সে আরো এগোলো।
...
...
মায়া
সৌরভ ভট্টাচার্য
28 January 2017
দীঘির পাড়ে যে বড় বটগাছটা তার একটা ডালে শুয়ে আছে ভরত।
ব্রহ্মদৈত্য। মধ্য আকাশে চাঁদ। বসন্তের বাতাস বইছে মৃদুমন্দ। একটা পেঁচা
কিসে?
সৌরভ ভট্টাচার্য
22 January 2017
ভবতোষবাবু একা কৃষ্ণমন্দিরে বসে। বহু পুরোনো মন্দির। সন্ধ্যারতি হয়ে গেছে আধঘন্টা হল। মাঘমাসের প্রথম সপ্তাহ। প্রচণ্ড ঠাণ্ডা। তাই আজ তাড়াতাড়ি ফিরে গেছে সবাই।
মাঝি
সৌরভ ভট্টাচার্য
11 January 2017
দোতলা
সৌরভ ভট্টাচার্য
10 January 2017
পিপাসা
সৌরভ ভট্টাচার্য
11 December 2016
লোকটার ছিল ভীষণ পিপাসা। সারাদিন তাই আগল দিয়ে নিজেকে আড়াল করে রাখতে চাইত সবার থেকে। তার দরজায় ছিল ছোট্ট একটা ছিদ্র। একটা বড় পিঁপড়েকেও ঢুকতে হত সে ছিদ্র দিয়ে কষ্ট করে। ...
কন্ডোম
সৌরভ ভট্টাচার্য
1 December 2016
ওরা চলে যাওয়ার পরেও অনেকক্ষণ ধরে ভদ্রমহিলা বাইরের গেটের কাছে দাঁড়িয়ে রইলেন। বাচ্চাগুলো খেলতে যাচ্ছে। একজন বাচ্চা বলল, "ও ঠাকুমা, নানুকাকান চলে গেল হায়দ্রাবাদ? আবার পরের পুজোয় আসবে?"
পাথেয়
সৌরভ ভট্টাচার্য
29 November 2016
কেন আসো বুড়ি? কি চাই তোমার? সারাগায়ে রত্তি তো নেই একফোঁটাও। ছেঁড়া ফুটিফাটা শাড়ি। হাওয়াই চটিটার বয়েস তো যেন তোমার চেয়েও বেশি বুড়ি, ওকে রেহাই দাও এবার। তোমার কোলের কাছে লাঠি দেখছি যে বুড়ি, ওই লাঠি ঠুকে ঠুকে আসো বুঝি এই মন্দিরে? গাড়ি চড়ার পয়সা নেই? ...
হিসেবী
সৌরভ ভট্টাচার্য
26 November 2016
রোহিনীর মনে হল যেন একটা দমকা হাওয়ায় বইয়ের পঞ্চাশটা পাতা এক্কেবারে উড়ে গেল। এই তো খানিক আগেও সব ঠিক ছিল। সুনন্দের কাছ থেকে আজ দীপান্বিতা ম্যাডামের নোটটা নিতে এসেছিল। রোহিনী ফিলজফিতে মাষ্টার্স করছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এটাই প্রথম বর্ষ। সকাল থেকে শরীরটা ভালো ছিল না। মনে হয়েছিল হয়তো জ্বর আসবে। এলো না। প্রত্যেকবার এই সিজন চেঞ্জের সময় তার এরকম হয়।
অক্টোবর মাসের শেষের দিক। অল্প অল্প ঠান্ডা ঠাণ্ডা পড়েছে। পূজোটা মাসের শুরুর দিকেই হয়ে গেছে। একটা পাতলা চাদর গায়ে দিয়ে সে ফিরছিল তাদের বাড়ির দিকে। পনেরো মিনিটের হাঁটা পথ। সব বদলে দিল। ...
বিলুজ্যাঠা
সৌরভ ভট্টাচার্য
22 November 2016
লোকটা হনহন করে হেঁটে যাচ্ছিল। সন্ধ্যে সাড়ে সাতটা হবে। এই গ্রামের দিকটায় এই সময়টা শীতকালে বড় একটা বাইরে কাউকে দেখা যায় না। চারদিকের বাড়িগুলোর জানলা বন্ধ। লোকটা একা একাই হেঁটে চলেছে। মাথাটা মাফলার আর কান ঢাকা টুপিতে মোড়া। শুধু চোখদুটো বেরিয়ে আছে।